নারীর রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্ব, কোটা ব্যবস্থা এবং শিক্ষকদের যৌথভাবে বই রচনার সম্ভাবনা নিয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন ক্যাম্পাসের ২০৪ নম্বর কক্ষে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং গবেষণা, উৎকর্ষ ও উন্নয়ন কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও গবেষকেরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ভারতের কোটা ব্যবস্থার মাধ্যমে নারীর প্রতিনিধিত্ব, পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়। এতে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতের কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. প্রভাত দত্ত। এ সময় ভারতের কোটা নীতির বিবর্তন, নারীর রাজনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্ব, লিঙ্গসমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি কোটা ব্যবস্থার অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করা হয়।
দ্বিতীয় পর্বে শিক্ষকদের যৌথভাবে বই রচনার সম্ভাবনা ও পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় হয়। এ পর্বে আন্তবিভাগীয় গবেষণা সহযোগিতা বাড়ানো, গবেষণার বিষয় নির্বাচন, যৌথ প্রকাশনা উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও একাডেমিক প্রকাশনা কার্যক্রম জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসাইন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গণেশ চন্দ্র শাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহ আলম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবেষণা, উৎকর্ষ ও উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কেন্দ্রটির অতিরিক্ত পরিচালক মিলি রহমান। তাঁর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠান আয়োজন ও সমন্বয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ইংরেজি, অর্থনীতি, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
আয়োজকদের আশা, এ ধরনের আলোচনা শিক্ষক ও গবেষকদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, আন্তবিভাগীয় সহযোগিতা এবং যৌথ গবেষণা ও প্রকাশনার সুযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা ও মানসম্মত প্রকাশনা কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে।